Header Ads

Header ADS

মাত্র দুটি এলাচ স্ত্রীর কাছে মূল্য বাড়িয়ে দেবে । এলাচের উপকারিতা সম্পর্কে

এই দশটা কারণে আপনি এলাচ খাবেন। প্রতিদিন দুটো করে, বদলে যাবে আপনার গোটা জীবন। কেন খাবেন একবার ভালো করে শুনুন। অনেক মানুষই আছেন যাদের নিয়মিত এমন কিছু জাঙ্ক ফুড ফাস্ট ফুড খাওয়া হয়।

‍যৌনতায় এলাচের ব্যবহার

আর যাদের ব্লাড প্রেসার বেশি যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা যাদের বাত ব্যাথা আছে। যাদের ডায়াবেটিস আছে যাদের ওবিসিটি আছে এমনকি যাদের বিভিন্ন ধরণের বদ অভ্যাস আছে। যাদের এইরকম সমস্যা আছে এবং এইগুলো নিয়েই যারা জীবন কাটাচ্ছেন।

আজকের আজকে থেকে সঠিকভাবে এলাচ খাবেন। অনেক মানুষই আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের রোগ পুষে বেড়াচ্ছেন। ঔষধ খাচ্ছেন রোগ ভালো হচ্ছে না। এবার এক এক করে আপনি রোগগুলো শুনুন। আর সেই অনুযায়ী আপনি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এলাচের মধ্যে কি আছে? 

প্রথমে বলি এলাচে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, কোলেস্টোরেল, ফাইবার. নিয়াসিন, রাইবো, ফ্লাবিন, পাইয়েরি ডক্সিন, থিয়ামিন, ইলেকট্রোলাইট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম রয়েছে, ম্যাগনেসিয়াম আছে, জিঙ্ক আছে, ভিটামিন এ, সি সহ আরো নানান উপকারিতা

আছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট. যদি সর্দি, কাশি, ফুসফুসের সমস্যা কোন কারণে কোনদিনও ফুসফুসে ইনফেকশন ঘনঘন ঠান্ডা লাগা এমন সমস্যা থাকে। তাহলে এক কাপ উষ্ণ গরম পানি বা জলের মধ্যে এক চামচ মধু আর দুটি ছোট এলাচ ভালো করে মিহি করে গুড়ো করে মিশিয়ে দিন। সম্পূর্ণ এলাস্টিক গুঁড়ো করতে অসুবিধা হয় তাহলে শুধুমাত্র ভেতরের বীজটা বের করে গুঁড়ো করে দিন।এতেও হবে, এইভাবে আপনি প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাবার সময় খাবেন। তাহলে এই সমস্যা চলে যাবে।

এলাচের উপকারিতা সম্পর্কে

এগুলো কিন্তু অনেক পুরাতন শ্বাসকষ্ট হুপিং কাশি ব্রংকাইটিস ইত্যাদি সমস্যাও দূর করে দেয়। যদি আপনার কোন কারণে রক্ত নালীতে জমাট বেঁধে যেয়ে থাকে এবং হৃদপিণ্ড এর জন্য আপনার ক্ষতিগ্রস্ত হয় আপনি হার্টের রোগে ভুগতে থাকেন। 

তাহলে অবশ্যই আপনি প্রতিদিন রাতে দুটি করে এলাচ ভালো করে চিবিয়ে খেয়ে তারপর এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করে ঘুমাবেন। এলাচের মধ্যে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটা হার্টের জন্য খুব ভালো।

আর এইভাবে খেলেই আপনার কোলেস্টেরলও কমে যাবে। নিয়মিত যদি কেউ এলাস খায় তাহলে অবশ্যই তার কোলোরেকটাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এলাচে পেটের ভেতরে নানান ধরনের সমস্যা, গ্যাস্টিক, আলসার অর্থাৎ হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যার সমাধান পাবেন। 

বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, এসিডিটির হাত থেকে মুক্তি দেবে। আরেকটা বড় কাজ কি করে? এই এলাচ কিন্তু দেহের ক্ষতিকর টক্সিনকে একদম বের করে দেয়। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দিয়ে ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কার করতে সবসময় কাজ করে।

আপনার খুব বেশি মাথা ব্যথা করছে। আপনি দুটো এলাচ ভালো করে চিবিয়ে খেয়ে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। এইভাবে যদি খান অবশ্যই আপনার মাথা ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে ভালো হবে। এমনকি এটা মাইগ্রেনের ব্যথা সারাই।

মানসিক চাপ একদম কমিয়ে দেয়। এলাচ খেলে কিন্তু ঘুম ভালো হয়। মানসিক চাপ কমে এবং এলাচের ঘ্রান এমন যে, মনকে ফুরফুরে করে। এলাচের এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল ইত্যাদি পড়তে বাধা দেয়। এমনকি ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। অনেক মানুষই আছেন যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে যদি কিডনির সমস্যা থাকে তাহলে এলাচ খাবেন না। 

আর গর্ভাবস্থায় এলাচ খাবেন না। এছাড়া আপনি যেকোনো সময় এলাচ খেতে পারেন। তবে একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ দিনে দুটোর বেশি এলাচ কখনই খাবেন না। এটা খেয়াল রাখবেন। আর ছোট বাচ্চাদেরও পেটে কৃমি হলে একটি এলাচের ভেতরে সম্পূর্ণ ফলটা ভালো করে গুঁড়ো করে এটা সকাল বেলায় বাসি জল দিয়ে যদি খাওয়ানো যায় তাহলে তিনদিন খাওয়ালে কৃমির সমস্যা ভালো হয়। 

এভাবে বড়রাও খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে একটু বেশি পরিমাণে খেতে হবে। দুটো খেতে হবে। এছাড়া রাতের বেলায় যদি এলাচ খেয়ে কেউ ঘুমোতে যান তাহলে অবশ্যই নারী পুরুষের গোপন শক্তি বেড়ে যাবে। নারী বা পুরুষের জন্য এটা অত্যন্ত উপকারী। এটা তাদের সারা জীবনকে সুখী করে তুলবে। তাই বলছিলাম, এলাচের মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা আপনি কোনদিনও কল্পনাও করতে পারেননি। এলাচ খেলে মুখের দুর্গন্ধ চলে যায়।

এবং এলাচ কিন্তু ভেতর থেকে আপনাকে মানসিকভাবে ফ্রেশ করে তুলবে। এগুলো কিন্তু শুধুই এই ছোট বা সাদা এলাচের কথা বললাম। যদি কেউ বড় এলাচের গুনাগুন জানতে চান বা কালো যে এলাচের গুনাগুন রয়েছে জানতে চাইলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে একটা কমেন্ট করুন। 

এবং এই কথা খেয়াল রাখবেন যে ছোট এলাচের বড় এলাচের ঔষধি গুণ কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন কাজেই কেউ ভাববেন না যে দুটো এলাচ খেলে একই ফল পাবেন।ত

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.