Header Ads

Header ADS

চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যার ঘরোয়া সমাধান

চুল পড়ার সমস্যা নারী-পুরুষ উভয়েই ভোগেন। কিন্তু পুরুষরা যেহেতু বেশিরভাগ সময়ই ঘরের বাইরে টাই কাটান, এজন্য তাদের চুল বহু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া নারীরা কেশের যতটা কদর নেন, তার একভাগও পুরুষরা করেন না।

চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যার  ঘরোয়া সমাধান

মূল কথা কম বয়সেই প্রচুর পুরুষই চুল পড়ার প্রবলেমে ভোগেন। কারও কারও মাথায় চুল পড়ে চুলহীন মাথা হয়ে যায়। আর মাথার চুল হ্রাস পায় কেন গেলে আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে থাকে। তাহলে উপায়? চুল পড়ার সমস্যা নিয়ে বহু দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই।

জীবনযাত্রার সংস্কার ও ঘরোয়া উপায়েও পর্যাপ্ত ক্ষেত্রে কেশ পড়া অফ করা যায়। কিন্তু অনেকেরই জিনগত কারণে কেশ পড়ে, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের উপদেশ নেওয়া জরুরি।

অভ্যান্তরিণ বিষয় বস্তু 

* ভিটানমি এর উপকার * চুল পড়ায় আমিষের প্রয়োজনীয়তা * চুল পড়া রোধে সর্বদা চুল পরিস্কার করা * ভেজা চুল না আচরানো * ঘড়োয়া উপাদানের ব্যবহার * চুল পড়ায় পানি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা * গ্রীন টির প্রয়োগ * ঘাম থেকে নিরাপদ রাখুন* ধুমপান পদ্যপান পরিহার * শরীল চর্চার গুরুত্ব দিন 


তবে কেশ পড়ার হিসাব বেড়ে গেলে ঘরোয়া ১০ উপায়েই হারানো কেশ ফিরে পেতে পারেন।তবুও আবার মাত্র ২ সপ্তাহেই! চলুন কিন্তু জেনে নেওয়া যাক কেশ পড়া বন্ধের কার্যকরী ১০ উপায়-

# কেশ পড়ার সমস্যা সমাধানে ভিটামিন ই কেশের গোড়ায় প্রয়োগ করুন। ভিটামিন ই মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করিয়ে দেয়। ফলে কেশের ফলিকল উত্পাদনশীল থাকে। এছাড়া ভিটামিন ই চুলের স্বাস্থ্যকর রং বজায় রাখে।

# প্রচুর সময় খাদ্যাভাসে সংস্কার হলে বা শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল পড়ে। তাই খাদ্যতালিকায় চর্বিযুক্ত, মাংস, মাছ, সয়াসহ আমিষ রাখুন। এগুলো চুলের শরীরের অগ্রগতি করে ও কেশ পাঠাভ্যাস বন্ধ করে।

# নিত্য কেশ ক্লিয়ার রাখা জরুরি। এতে চুলের গোড়ায় জমে থাকা নোংরা সহজেই দূর হয়। ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়। মনে রাখবেন, চুল অপরিষ্কার থাকে তাহলে খুশকি ও মাথার ত্বকে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

# কখনও ভেজা কেশ আঁচড়াবেন না। অনেক পুরুষই হয়তো এ ব্যাপারটা মানেন না। ভেজা পরিস্থিতিতে কেশের গোড়া নরম থাকে। ফলে চিরুনি দিয়ে কেশ আঁচড়ানোর টাইম কেশ পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

# ঘরোয়া উপায়ে কেশ পড়া অফ করার জন্য ব্যবহার করার জন্য পারেন রসুন, পেঁয়াজ বা আদার রস। এই উপাদানগুলোর রস রাতে মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন। সারারাত রেখে সকালে চুল ক্লিয়ার করে ফেলুন। সপ্তাহ প্রতিদিন এই নিয়ম অনুসরণ করলে রেজাল্ট পাবেন হাতেনাতে।

# শরীরে পানিশূন্যতার তৈরি হলেও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। এইজন্য কেশ পড়ার প্রবলেম বেড়ে গেলে বুঝবেন আপনার দেহে হয়তো পানিশূন্যতা হয়েছে। এইজন্য দৈনিক অন্তত ২-৩ লিটার পানি নিশ্চয়ই পান করুন।


# গবেষণায় লক্ষ্য গেছে, গ্রিন টি প্রয়োগে কেশ পড়ার প্রবলেম কমে। এজন্য এক কাপ পানিতে দু’টি গ্রিন টি ব্যাগ মিশিয়ে নিন। অতঃপর তা ঠান্ডা করে চুলের ডগা হতে গোড়া পর্যন্ত প্রয়োগ করুন। ঘণ্টাখানেক পর ধুয়ে ফেলুন। ৭-১০ দিন অবিরাম ব্যবহারে কেশ পড়ার সমস্যা সমাধান হবে।

# সব টাইম স্মৃতি রাখুন মাথার ত্বক যেন বেশি তৈলাক্ত না থাকে। অনেকেরই মাথার ত্বক বেশি ঘামে। ঘামের কারণে মাথার ত্বকে বেশি নোংরা জমে। ফলে পুরুষের চুল পড়ার পরিমাণ বাড়ে। একারণে অ্যালোভেরা ও নিম যুক্ত শ্যাম্পু প্রয়োগ করুন। তাহলে মাথা ঠান্ডা থাকবে ও কেশ কম ঘামবে।

# ধূমপান ও মদ্যপানের কারণেও চুল পড়তে পারে। ধূমপান করলে মাথার ত্বকে প্রবাহিত রক্তের সংখ্যা  যায়। ফলে কেশের বৃদ্ধি বাঁধাগ্রস্ত হয়। এজন্য ধূমপান লক্ষ্য না করে চলুন।


# দৈনিক শরীরচর্চা করুন। দিনে কমপক্ষে ৪০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। একসাথে সাঁতার কর্তন করা বা সাইকেলও চালাতে পারেন। এতে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে ও স্ট্রেসের মাত্রা কমবে। ফলে চুল পড়ার সমস্যাও কমবে।

একাধারে সপ্তাহ খানেক এই নিয়মগুলো মানলেই আপনার কেশ পড়ার সমস্যা অনেকটা হলেও সমাধান হবে। যদি না কমে, তাহলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.