Header Ads

Header ADS

বিছানায় যাওয়ার আগে যা খেলে ২৫ বছরের যুবকের মতন খেলোয়াড় হয়ে যাবেন

 


প্রতিদিন ঘুমাবার আগে – সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক tablet খাবেন না। এই রোগের প্রতিকারক পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কয়েকটি ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন প্রতিষেধক সেবনের প্রয়োজন নেই। 

গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য (food) খাওয়ার সাহায্যে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর বিশুদ্ধ দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌন শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী  গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখার জন্য পারে। তাই নিশ্চয়ই দূরদর্শী ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন পথ ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক tablet কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌন শক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞান আস্থা করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের উপদেশ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। এইজন্য যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সঙ্গে নিখুঁত মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই। না হলে আমাদের কমেন্ত বক্স এ জানাবেন। কিন্তু এইখানে মধু খাটি থেকে হবে। অন্যথায় সব বিফলে যাবে গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বীর্যস্খলনের সময় ঋতু কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং সম্প্রতি সারা বিশ্বে ১টি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূলে রয়েছে বিশেষ রোগ প্রতিরোধকক্ষমতা। হাজার বছর ধরে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূল নানারকম রোগের প্রতিষেধক, শক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? 

জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপনীয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় কেন? জানুন জিনসেং ইংরেজিতে পরিবারের ১টি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূলবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে।শক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন কান্ট্রিতে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে। জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা বলে থাকে। জিনসেং কি প্রকৃতপক্ষে জিনসেং কী? হলো বৃক্ষের মূল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ওষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং উদ্ভিদের মূল রোগ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় । জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর একটানা হেতু সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে মদও তৈরি হয়। এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাবার (food)উপকরণ। 

আরো পড়ুন :

জিনসেং কে জানানো হয় বা আশ্চর্য লতা। চীনে সহস্র বছর ধরে জিনসেং উদ্ভিদের মূল আশ্চর্য রকম শক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন।চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সাধারণত দেখা যায় জিনসেং ও সবুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার পরে ভাবলাম যে এই আশ্চর্য লতার গুন কে প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রুফড নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাইনিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা তথ্য। আমাদের রাষ্ট্রের মানুষেরা এটা সম্পর্কে কম-ই জানেন। একারণে জিনসেং সম্মন্ধে একটি পরিপূর্ণ আন্দাজ দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট। জিনসেং : মুলত দুই প্রকারের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর ভিতরে এশিয়ান জিনসেং (ginseng) তুলনামুলক ভাবে বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং (ginseng) কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং। প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক কিওয়ার্ড “panacea” হতে যার অর্থ হলো বা সর্ব রোগের ঔষধ। জিনসেং (ginseng) সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটা অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক ১টি উপাদান এর কার্যক্ষমতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক প্রকারের তরু আছে, যা জিনসেং বলে গলদ করা হলেও তা প্রকৃতপক্ষে প্রকৃত জিনসেং (ginseng) না। 

জিনসেং (ginseng) ও লিংগোত্থানে অক্ষমতাঃ জিনসেং এর গুনাবলীর ভিতরে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধে এর ভূমিকা। ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অপটু ব্যাক্তি) এর রোগীর ওপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং (ginseng) খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং (ginseng) গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুইটি গবেষনা পাবলিশ করা হয়। ২০০২ বছরের ১টি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা  করেন যে, জিনসেং কেমন করে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরুষের যৌনাংগে নামে বিষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। জিনসেং ও দ্রুত বীর্যস্খলন যদিও কাচা জিনসেং (ginseng) এর নিমিত্ত এই রোগে কেমন করে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না তবে জিনসেং (ginseng) এর তৈরী একটি ক্রীম পুরুষদের ফাস্ট বীর্যস্খলন রোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে আসতে চলেছে যা মিলনের একঘন্টা আগে লিঙ্গে লাগিয়ে রেখে মিলনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে পাবলিশ করা ১টি গবেষনা অনুযায়ী এটা বীর্যস্খলনের সময় ঋতু কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং (ginseng) শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পুরুষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌনতা বাড়তে এর অনন্য ভূমিকা এর জন্যই এর এরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)। জিনসেং বলতে বুঝায় বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতা উদাহরণসরূপ মনযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সঙ্গে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা,কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচারবুদ্ধি, ভাবা শক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা।

সরল ভাষায় বলতে গেলে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্তের উপর সরাসরি ভাবে কাজ করে মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২০০৫ সনে তে পাবলিশ করা গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জন সুস্বাস্থ্যবান যুবার ওপর গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং (ginseng) গ্রহন তাদের পরীক্ষার সময় পাঠাভ্যাস মনে রাখার বিষয়ে পজিটিভ অবদান রেখেছিল। একই জার্নালে ২০০০ সালে করা ১টি গবেষনা, যুক্তরাজ্যের কর্তৃক ৬৪ জন ব্যাক্তির ওপর করা ১টি গবেষনা তার সাথে চীনের কর্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপর করা ১টি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশক্তি ও সার্বিক বৃদ্ধিতেও সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে তে প্রকাশিত ইদুরের উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিনষ্টকারী রোগ যা স্মৃতিশক্তি বিনষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হান্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেসব প্রতিরোধে অবদান রাখে। জিনসেং ও ডায়াবেটিস ২০০৮ সনে ১৯ জন প্রকার ২ ডায়বেটিস এর রোগীর ওপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং (ginseng) টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রুফড হয়েছে। জিনসেং ও কোলেস্টেরল এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত ১টি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং (ginseng) গ্রহণ ভালো না কোলেস্টেরল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও সুন্দর কোলেস্টেরল বা এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে। জিনসেং ও ফুসফুসের রোগঃ হচ্ছে ফুসফুসের সেরা কমন রোগ। এই রোগীদের শ্বাস নিতে দুঃখ হয়, বুকে কফ থাকে ও কারো কারো ফুসফুসের ক্ষতি ঘটে। এ ২০০২ সনে প্রকাশিত ৯২ জন রোগীর ওপর করা গবেষনা অনুযায়ী ১০০মিগ্রা ডোজে ৩ মাস জিনসেং (ginseng) গ্রহণে সার্বিক ভাবে এর অবস্থার উন্নয়ন হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। জিনসেং ও ত্বকঃ জিনসেং নানারকম এন্টি-এজিং ক্রীম ও স্ট্রেচ চিহ্নিত ক্রীম এ ব্যবহারকৃত হয়। এইসব ক্রীম ত্বকের কোলাজেন এর উপর কাজ করে ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে ও গর্ভবতী নারীদের পেটের ত্বক স্ফীতির কারণে তৈরী ফাটা দাগ নিরসন করে। কিন্তু এটির জন্য জিনসেং এর ভূমিকা কতটুকু ও ক্রীমে থাকা আদার্স উপাদানের অবদান কতটুকু তা জানা যায়নি। জিনসেং ও ক্যান্সার জিনসেং ক্যান্সার নিরাময় করার জন্য না পারলেও আমেরিকার ম্যায়ো ক্লিনিক ক্যান্সার সেন্টারের গবেষকরা বলছেন, ক্যান্সারে ভুগছেন এইরকম রোগীদের দুর্বলতা কাটাতে জিনসেং (ginseng) সহায়ক। 

৩৪০ রোগী নিয়ে গবেষণায় নোটিশ গেছে, ৮ সপ্তাহ ধরে উচ্চমাত্রার জিনসেং ক্যাপসুল সেবন করেছেন এইরকম রোগীদের দুর্বলতা আদার্স প্রক্রিয়ার চিকিৎসা গ্রহণকারীদের তুলনায় অনেক কমেছে। জিনসেং ও রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা একটি গবেষনায় ২২৭ ব্যক্তির ওপর ১০০মিগ্রা দিনে এক বার করে ১২ সপ্তাহ এবং আরেকটি গবেষনায় ৬০ ব্যাক্তির ওপর ১০০মিগ্রা দিনে ২বার করে ৮ সপ্তাহ জিনসেং (ginseng) প্রয়োগ করে লক্ষ্য গিয়েছে যে তাদের দেহের রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো ( উদাহরণসরূপ ইত্যাদি) কার্যকর হিসাবে বেড়ে গিয়েছে। 

তার মানে জিনসেং রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। জিনসেং ও আরো কতিপয় রোগ মেয়েলি হরমোন বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ আয়োজন বৃদ্ধি ও শক্তি বর্ধক এনার্জি ড্রিংক হিসেবে জিনসেং (ginseng) দারুন কার্যকরী। জিনসেং রক্ত বিগলিত করে স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। আরো কয়েকটি রোগ নিরসনে জিনসেং অবদান রাখে বলে লোকজ প্রয়োগ হতে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানীরা এই রোগ গুলোর ক্ষেত্রে গবেষনা করে জিনসেং (ginseng) এর কার্যকরীতা অস্বীকারও করেন নি আবার শিওর ভাবে মেনেও নেননি। এইসব রোগের ভিতরে আছে, সরদি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ক্যান্সার (পাকস্থলি, ফুসফুস, যকৃত, ত্বক, ডিম্বাশয়), রক্তশূণ্যতা, বিষন্নতা, পানি আসা, হজমে প্রবলেম ইত্যাদি। 

ব্যবহারবিধিঃ এর মত অনুযায়ী এশিয়ান জিনসেং পূর্নবয়স্করা ২-৩ সপ্তাহ টানা খেয়ে ২ সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার খেতে পারবেন। আমেরিকান জিনসেং (ginseng) টানা ৮ সপ্তাহ খেয়ে ২ সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার খেতে পারবেন। যেহেতু এটি ১টি অধিক উৎকর্ষ কার্যকরী ওষুধ, তাই দীর্ঘদিন ব্যবহারের কোন রকম লস হতে পারে বিবেচনা করে এটি বেশিদিন ব্যবহার করার জন্য মানা করা হয় 

যদিও দীর্ঘ ব্যবহারে ক্ষতির কথাটার কোন বৈজ্ঞানিক প্রুফ নেই).. জিনসেং (ginseng) সাধারণত tablet , পাউডার, ড্রিঙ্কস হিসেবে খাওয়া হয়, এবং এদের গায়েই ব্যবহারবিধি লিখনি থাকে। tablet বা পাউডার এর জন্য ডোজঃএর রিপোর্ট অনুযায়ী, মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি ও লিংগ উঠতি এর জন্য ৯০০ মিগ্রা পাউডার করে দৈনিক ৩ বার, শক্তি বা স্ট্যামিনা বৃদ্ধি ও ডায়বেটিস এর জন্য এর  হচ্ছে ২০০ মিগ্রা পাঊডার করে দিনে ১ বার, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ১০০ মিগ্রা করে দিনে ২ বার। এর জন্য ওষুধের মাত্রা হচ্ছে ০.২ মিগ্রা। সরাসরি মূল খেলে ০.৫-২ গ্রাম মুল খাওয়া যাবে দৈনিক ১ বার। নিমিত্ত কিনে খাওয়া টাই সবচেয়ে সাশ্রয়ী হয়। মূল টা চিবিয়ে খাওয়া যায়, গুড়া করে জিভের নীচে রেখে দিয়ে খাওয়া যায়, পানিতে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পানি সহ খাওয়া যায় কিংবা পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে পানি সহ খাওয়া যায়। কোথায় পাবেনঃ বিজ্ঞান ল্যাবরেটরির মোড়ে, ঢাকনা সিটি কলেজের গেটের অপর প্বার্শে অধিষ্ঠিত বিজ্ঞান ল্যাবরেটরি বিক্রয় কেন্দ্রে এটি এনার্জি ড্রিঙ্কস হিসেবে পাওয়া যায়। এ ছাড়াও মডার্ণ হারবাল গ্রুপ এবং স্কয়ার ফার্মাসিঊটিকাল লিমিটেড এর ওয়েব সাইট এ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এরা জিনসেং (ginseng) কে tablet হিসেবে বিক্রি করে। যেই পণ্য ই কিনেন না কেন, দেখে নিবেন লেবেল এর গায়ে Panax ginseng লেখা আছে কিনা, রিজন এটাই অরিজিনাল এশিয়ান জিনসেং। গেণ্ডারিয়া রেলগেট, দয়াগঞ্জ বাজার, সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে, ঠাঁটারি বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠে গিয়েছে ঔষধি গাছ, লতাপাতা বিক্রির পাইকারি দোকান। এইসব জায়গায় খোজ নিয়ে দেখতে পারেন যে সরাসরি ভাবে নিমিত্ত পাওয়া যায় কিনা। 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ জিনসেং এর সবচেয়ে সাংঘাতিক পার্শ্বপ্রতিকৃয়া হচ্ছে ঘুমের সমস্যা। আগেই বলেছি, জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্ত্র কে উত্তেজিত করে ও মানসিক ক্ষমতা বাড়ায়। উত্তেজিত স্নায়ুর কারণে নিদ্রা আসতে দেরি হয়, যেমন টা হয় কফি খাওয়ার পরে। আদার্স সাধারণ বিপদের ভিতরে রয়েছে ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, হার্ট বিট বাড়া তার সাথে ব্লাড প্রেশারে তারতম্য হওয়া (সাময়িক)। 

যারা খাবেন নাঃ বাচ্চা, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের এটি খেতে নিষেধ করা হয়। জিনসেং (ginseng) স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে তাই স্নায়ুর ওপর কাজ করে এমন অন্য কোন ঔষধ (যেমন ঘুমের অষুধ, বিষন্নতার  ইতাদি) এর সঙ্গে এটি খাওয়া উচিত না, নয়ত স্নায়ু অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে যাবে। জিনসেং রক্ত দৃঢ় বাধা প্রতিরোধ করে, তাই হার্টের রোগীরা যারা ইতমধ্যে রক্ত  করার অন্যান্য  ( যেমন খাচ্ছেন, তারা এদের সাথে জিনসেং খাবেনা না। জিনসেং ব্লাড সুগার কমাতে সহায়তা করে, এইজন্য ডায়বেটিস রোগীদেরো ডাক্তারের সাথে উপদেশ করে এটি খাওয়া কর্তব্য যাতে ওষুধের সঙ্গে জিনসেং গ্রহণে সুগার যেন বহু কমে না যায়। অতিকর্মক্ষম রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে কয়েকটি রোগ হয়, উদাহরণসরূপ এদের জানানো হয়। জিনসেং (ginseng) যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এইজন্য সাধারণ  এতি খেলে উপকৃত হবে অথচ এর রোগীদের খাওয়া কর্তব্য না। জিনসেং মেয়েলি হরমোন ইস্ট্রোজেন এর হিসাব বাড়ায়, এজন্য যাদের হরমোনের প্রবলেম রয়েছে তাদের এটা খাওয়া উচিত কিন্তু যাদের ব্রেস্ট, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার বিদ্যমান তাদের খাওয়া সমীচীন নয় রিজন অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন এইসব ক্যান্সারে আরো সহায়ক ভূমিকা রাখে। জিনসেং ব্লাড প্রেশারেও তারতম্য ঘটায় এজন্য হ্যালো ও লো প্রেশারের রোগীদেরো নিত্য খাওয়া সমীচীন না।  ভাষায় বলতে গেলে, জিনসেং এর চমৎকার গুনগুলোর কারণেই প্রকৃতপক্ষে ইহাকে সতর্ক ভাবে গ্রহণ করা কর্তব্য (যদিও ঊর্ধ্বের আশংকা গুলো কোনটাই বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত না)। জিনসেং কোরিয়াতে এবং রাষ্ট্রের বাইরে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ তা সত্ত্বেও বেশ কঠিন। বর্হিবিশ্বে জিনসেং-এর অনেক চাহিদা মেটানোর জন্য কোরিয়ার প্রদেশের পুঞ্জী এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে জিনসেং (ginseng) -এর সাকসেস চাষাবাদ ঘটছে সেই ১১২২ খ্রিস্টাব্দ থেকে। এই পুঞ্জী এলাকা জিনসেং দেশ হিসাবে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত। ষোলশো শতাব্দী থেকেই এই এলাকায় জিনসেং (ginseng) খামার গড়ে উঠেছে। অধুনা এটা কোরিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিনসেং উৎপাদনকারী এলাকা। 

পেনিস ইজিলি বড়, মজবুত ও মোটা করার উপায় কি? 

পুঞ্জীতে পাহাড়ে ৪০০-৫০০ মিটার উচ্চতায় জিনসেং-এর চাষ করা হয়। পাহাড়ের  আবহাওয়া এবং উর্বর মাটি পুঞ্জী এলাকার জিনসেং-কে বলশালী করে তোলে। প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথমদিকে পুঞ্জীতে জিনসেং (ginseng) উৎসব হয়ে থাকে। এই উৎসবে খেত হতে সদ্য তোলা জিনসেং-এর স্বাদ গ্রহণ করা যায়। পরিভ্রমণকারীরা জিনসেং তুলবার অভিজ্ঞতাও নিতে পারে এই উৎসবে। জিনসেং উৎসবে আয়োজন করা হয় নানা রকম প্রতিযোগিতার। এর ১টি হলো দি বেস্ট জিনসেং। অর্থাৎ কোন জিনসেং মূলটি দেখতে সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয়। এর জন্য ৪টি শর্ত হলো: (১) মূলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং সেইম সাথে মূলটি দেখতে একজন মানুষের আকৃতির কতটা কাছাকাছি হয়েছে। (২) মূলের বাইরের স্তরের পুরুত্ব তার সাথে মূলের ওজন। (৩) মূলের দৈর্ঘ্য তার সাথে (৪) জিনসেং (ginseng মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। বৃক্ষের বয়স ছয় বছরের ঊর্ধ্বে চলে গেলে নিমিত্ত দৃঢ় হয়ে যায় এবং এর ওয়ুধি গুণাগুণ অপব্যয় পায়। অবশ্য যে সব জিনসেং (ginseng) বন-বাদাড়ে প্রাকৃতিকভাব্ জন্মায় সেগুলোর মূলের গুণাগুণ ছয় সালের পরও রয়েছে থাকে। আমেরিকা এবং ইউরোপে ফাংশনাল ফুড হিসেবে এটা বহুল প্রচলিত। এর বহুমুখী উপকারিতা, ঔষধি গুণের কথা বিবেচনা করে বিশ্বব্যাপী নতুন নিউ উৎপাদন পদ্ধতির উদ্ভাবন চলছে, যাতে করে এই মহামূল্যবান ঔষধিটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বিশ্বের যে কোনো স্থানে উদ্ভাবন করা যায়। এর চাষাবাদ বেশ দৃঢ় ও সময়সাপেক্ষ। মাঠপর্যায়ে মাটিতে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন। কোরিয়ান জিনসেং পরিবারেরধরনের মাংসল মূল বিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ প্রজাতি; যা পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়ায় ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে এবং এর মূলটিই মূলত ঔষধি হিসেবে ব্যবহারকৃত হয়।

 ‘প্যানাক্স’ শব্দটি আগত গ্রিক শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে বা সর্বরোগের ওষুধ।” জিনসেং মূলের উদ্ভাবন প্রসঙ্গে ড. সোহায়েল বলেন, ‘জিনসেং (ginseng) কোরিয়ায় এবং বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হলেও এর চাষাবাদ বেশ শক্ত ও সময়সাপেক্ষ। মাঠপর্যায়ে মাটিতে চাষাবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন। এ ছাড়া এর বৃদ্ধি প্রচণ্ড ধীর, চাষাবাদও বেশ পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এভাবে চাষ করলে চারা হতে বাজারজাত যোগ্য পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে কমপক্ষে পাঁচ-সাত বছর লেগে যায়। এটা দূষণ, সংক্রমণ ও কীট-পতঙ্গের আক্রমণ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে  হ্রাসের ঝুঁকিতে থাকে। একারণে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের চাহিদা মেটানোর জন্য বিকল্প পদ্ধতিতে জিনসেং মূলের টিস্যু থেকে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জিনসেং নিমিত্ত উদ্ভাবন করা হয়।’ মহৌষধি জিনসেং (ginseng) -এ রয়েছে প্রায় ৩০ প্রকারের জিনসেনোসাইডস। এ ব্যতীত এতে আছে কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত যৌগ, ফ্যাট-দ্রবীভূতকারী পদার্থ, প্যানাক্সান নামক পেপটাইডোগ্লাইকেন, মিনারেলস প্রভৃতি। জিনসেংয়ে আরো বিদ্যমান ফেনলিক যৌগ, যার রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ, পলি-অ্যাসিটিলিন যা ক্যানসার কোষ ধ্বংসে অবদান রাখে। জিনসেং স্নায়ুতন্ত্রের উপর সরাসরি ভাবে কাজ করে উদাহরণসরূপ : মানসিক ক্ষমতা, মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সঙ্গে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা, কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচার বুদ্ধি, চিন্তাশক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোনো একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ক্ষমতা ইত্যাদি বৃদ্ধি করে। 

এ ছাড়া জিনসেং (ginseng) প্রকার ২ ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত। সম্প্রতি ওষুধের পাশাপাশি প্রসাধন তার সাথে খাদ্য(food) শিল্পে জিনসেং বহুল ব্যবহৃত। যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সাবান-ক্রিম, সানস্ক্রিন, টুথপেস্ট, হেয়ারটনিক, শ্যাম্পু, এনার্জি ড্রিংক, ক্যান্ডি, বিভিন্ন বেভারেজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এ ক্ষেত্রে অমিত সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছেন রাষ্ট্রের একমাত্র আবাসিক ভার্সিটির এ গবেষক। ড. সোহায়েল মনে করেন, বাংলাদেশের মাটিতে জিনসেং চাষ প্রায় অসম্ভব হলেও টেকনোলজির মাধ্যমে এর উৎপাদন, অগ্রগতি এবং বাণিজ্যিকীকরণ সম্ভব। অধুনা কোরিয়ান জিনসেং (ginseng) এ দেশের মাটিতেও জন্মানো যায় কি না এ বিষয়ে গবেষণা চলছে। এর মাধ্যমে সাফল্য অর্জিত হলে অর্থনৈতিক ও কৃষির একসাথে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা পসিবল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এর আগে জীবপ্রযুক্তি প্রয়োগের সাহায্যে প্যাশন ফল তার সাথে হাইড্রোপনিক নিয়মে লেটুসের চাষ বিষয়ে রিসার্চ করে সফলতার মুখ দেখেছিলেন ড. সোহায়েল। উনি বলেন, ‘প্রযুক্তি প্রয়োগের সাহায্যে প্যাশন ফল তার সাথে হাইড্রোপনিক প্রক্রিয়ায় লেটুসের চাষে তাঁর উদ্ভাবিত বিশেষ পদ্ধতি নিয়ে নানারকম গণমাধ্যমে প্রচারের ফলে মানুষের মনে এ নিয়ে বিশেষ বিশেষ প্রবৃত্তি সৃষ্টি হয়েছিল।’ ড. সোহায়েল প্রার্থনা করেন, জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে জিনসেং (ginseng) ব্যতীতও ননি, একনেশিয়া, সর্পগন্ধা, গিংকো, থানকুনি তার সাথে আদার্স মূল্যবান ঔষধির সাকসেস উৎপাদন তার সাথে বাণিজ্যিকভাবে নানারকম ওষুধ তার সাথে প্রসাধনী কোম্পানিগুলোতে সরবরাহ করা সম্ভব থেকে পারে। 

এইরকম সাফল্য দেখে কোনো বেসরকারি উদ্যোক্তা এগিয়ে এলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবেন কি না, এরূপ প্রশ্নের জবাবে ড. সোহায়েল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘হ্যাঁ, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিশ্চয়ই চুক্তিতে যাব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সবার প্রথমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দরকারের বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে।’

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.