Header Ads

Header ADS

ইসলামিক মতে বিয়েতে অভিভাবকের অনুমোতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে না নেই ?

ইসলামিক মতে বিয়েতে অভিভাবকের অনুমোতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে না নেই ?


হযরত বুরাইদা রাঃ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ভদ্র মহিলা নবীজী সাঃ এর কাছে এসে বলল, আমার বাবা আমাকে তার ভাতিজার কাছে বিয়ে দিয়েছে, যাতে তার  বৃদ্ধি পায়। রাবী বলেন, সেই সময় রাসূল সাঃ বিষয়টি মেয়ের ইখতিয়ারের উপর ন্যস্ত করেন, [অর্থাৎ ইচ্ছে করলে বিয়ে রাখতেও পারবে, ইচ্ছে করলে ভেঙ্গেও দিতে পারবে] সেই সময় মহিলাটি বললেন, আমার বাবা যা করেছেন, তা আমি মেনে নিলাম। আমার ফোকাস ছিল, মেয়েরা যেন জেনে গ্রহণ করে যে, বিয়ের ব্যাপারে পিতাদের [চূড়ান্ত] মতের অধিকার নেই্ {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৮৭৪, মুসনাদে ইসহাক বিন রাহুয়াহ, হাদীস নং-১৩৫৯, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-৩৫৫৫}

যদি দুইজন স্বীকৃত বয়স্ক সমঝদার সাক্ষ্যির সম্মুখে গৃহীত বয়স্ক পাত্র ও পাত্রি যদি প্রস্তাব দেয় এবং অপরপক্ষ তা গ্রহণ করে নেয়, তাহলে ইসলামী শরীয়া মুতাবিক বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যায়। অভিভাবকের পারমিশন থাকুক বা না থাকুক। গার্জিয়ান জানুক বা না জানুক। তবে যদি গায়রে কুফুতে বিবাহ করে, তথা এমন পাত্রকে বিবাহ করে, যার কারণে মেয়ের ঘরোয়া ইজ্জত বিনষ্ট হয়, তাহলে বাপ সে বিয়ে আদালতের সাহায্যে ভেঙ্গে দিতে পারে। যদি কুফুতে শাদি করে, তাহলে জন্মদাতা এ অধিকারও পাবে না।

 ১.   রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘অভিভাবক ছাড়া বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১১০১; আবু দাউদ, হাদিস : ২০৮৩)

এর রিজন হলো, বিবাহের ক্ষেত্রে নারীদের সার্বিকভাবে ফুলফিল জ্ঞান হয় না এবং তাদের চিন্তা-ভাবনা ত্রুটিযুক্ত হয়ে থাকে। একারণে তাদের চিন্তা কখনো  কল্যাণকর রাস্তায় তাদের পথপ্রদর্শন করার জন্য না-ও পারে। এ জন্য অভিভাবকদের সম্মতির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

২.   বংশীয়  পারিবারিক বন্ধনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। থেকে পারে, সে বংশমর্যাদা সংরক্ষণ করবে না। আবার কোনো সময়েই ‘কুফু’ ব্যতীত বিয়ে উৎসাহী হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে জাতের অপমান অনিবার্য।তাই অভিভাবককে এ ক্ষেত্রে কতিপয় দখল দেওয়া হয়েছে।

৩.   মানুষের সাধারণ রীতি হলো, মহিলার ওপর পুরুষ কর্তৃত্বশীল হয়। আর সব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পুরুষের হাতে ন্যস্ত হয়। সব  পুরুষের ওপর অর্পিত হয়। এ কারণেও মহিলার শাদির ক্ষেত্রে তার মা-মাবার পারমিশন গুরুত্বপূর্ণ।

৪.   বিয়ের মধ্যে অভিভাবকের শর্ত নির্ধারণের কারণে অভিভাবকের  ও  সমুন্নত হয়েছে। এই ইজ্জত কালক্রমে আজকের বধূও পাবে। তা ছাড়া অভিভাবকহীন বিয়েতে রমণী অবহেলার শিকার হয় এবং অভিভাবকের বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়।

৫.   অভিভাবকের মাধ্যমে বিয়ে হলে বিবাহের কথা বহু প্রচারিত হয়।

প্রচারের সাহায্যে বিয়েকে ব্যভিচার থেকে ডিফারেন্স করা জরুরি। প্রচারের অসাধারণ পদ্ধতি হলো, মানবীর  শাদিতে উপস্থিত থাকবে। এতে বিয়ে জরুরি হয়ে ওঠে।

আরো পড়ুন : 


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.