Header Ads

Header ADS

জবের আবেদন পরীক্ষায় পাশ করার উপায়।


বর্তমানে ৯৫% মানুষের একটাই প্রশ্ন যে– কেমন করে পড়লে চাকরির পরীক্ষায় মেলে সাফল্য! চাকরির পরীক্ষায় বেশ ভালো করার উপায় কি? কোন টিপস গুলো ফলো করলে একজন চাকরিপ্রার্থী জবের জন্য সিলেক্টেড হবেন? জব পরীক্ষায় সাফল্য লাভের সহজ পদ্ধতি বা কোলাকৌশল কি আদৌ রয়েছে? কি কি বিষয় মাথায় রাখলে পরীক্ষায় কোন কয়েকটি আকুল হবে না, বরং সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চাকরির পরীক্ষা দেওয়া যাবে। মূলত আজকের এই প্রবন্ধে আমরা সেই সম্পর্কেই আলোচনা করব।

সুপ্রিয় বক্তা বন্ধুরা, আপনি কি একজন চাকরিপ্রার্থী? জবের জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছেন? বারবার পরীক্ষা দিচ্ছেন আর বারবার অসমর্থ হচ্ছেন? যদি একারণে হয়ে থাকে তাহলে বলবো— চাকরির পরীক্ষায় ভালো করার জন্য হলে আমাদের আজকের এই আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কেননা চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করার উপায় হিসেবে আমরা এমনই  কিছু  টিপস ও ট্রিকস  আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য চলেছি। যেটা ২০২৩ সালে দাঁড়িয়েও আপনাকে চাকরি পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত বেশি সহযোগিতা করবে। তাহলে আসুন আলোচনা করি– চাকরির পরীক্ষায় অনেক ভালো করার উপায় ২০২৩ সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্র ঃ

  • চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করার উপায়
  • চাকরির পরীক্ষায় চমৎকার করতে হলে করণীয়
  • কিভাবে পড়লে চাকরির পরীক্ষায় অনেক ভালো করা যায়?
  • যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় সিলেক্টেড হওয়ার উপায়
  • চাকরির পরীক্ষায় সর্বোত্তম সুন্দর করার টিপস ও ট্রিকস
  • পর্যাপ্ত ঘুম
  • স্বাস্থ্যের যত্ন
  • সুন্দর উপস্থাপনা

চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করার উপায়

আপনি যদি জবের পরীক্ষায় বেশ ভালো করার জন্য চান, তাহলে সর্বপ্রথম আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হলো প্র্যাকটিস। মনে রাখবেন– কোন বিষয় বারবার চর্চা করার মাধ্যমে আপনি তার  সম্মন্ধে আন্দাজ অর্জন করতে পারবেন, আর সেই বিষয়টা যত কঠোর বা কঠিনই হয়ে থাকুক না কেন। এজন্য সবার প্রথমে আমরা আপনাদেরকে সাজেস্ট করব– চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করার জন্য চাইলে মনোযোগের সাথে পড়তে তার সাথে বারবার যেকোন কঠোর ও দৃঢ় বিষয় গুলো চর্চা করতে।

পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের কোন বিকল্প নেই। কেননা আপনি যদি মনোবল হারিয়ে ফেলেন এবং নার্ভাস ফিল করেন তাহলে আপনি প্রচুর প্রচুর পড়েও জবের পরীক্ষায় বেশ ভালো রেজাল্ট করার জন্য পারবেন না। অতএব নিশ্চয়ই আপনাকে আত্মবিশ্বাসী থেকে হবে তার সাথে মনে জোর থাকতে হবে। আপনার এটি ধরে নেওয়া চলবে না যে–  আপনি যেই চাকরির পরীক্ষাটা দিচ্ছেন সেটিতে টিকতে পারবেন না। বরং সব সময় এরূপ ভাবে ভাবতে শিখবেন, যে এত এত মানুষের মাঝে আপনি নিশ্চয়ই চাকরির এই পরীক্ষায়  নির্বাচিত হবেন।

দেখুন আপনারা নিশ্চয়ই ল অফ অ্যাট্রাকশন শব্দটির সাথে পরিচিত। আর এই সম্পর্কে যদি অল্পবিস্তর জেনে থাকেন তাহলে এটি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন যে– এই প্রকৃতিতে এরূপ সব কয়েকটি রয়েছে যেটা আমাদের মন চায় তার সাথে আমরা সেই সব কতিপয় পেতে যোগ্য যেটা আমরা মন হতে চাই। কারণ Law of attraction মানেই হলো:  আমি বা আপনি আমরা যে কেউ এই প্রকৃতির কাছে মন হতে সবার প্রথমে যা চাইবো তাই পাব। তবে এই কথার অনেকেই বিতর্কিত অভিব্যাক্তি পাবলিশ করেন। অনেকেই এটা মনে করেন যে–  ল বন্ধ অ্যাট্রাকশন শব্দটির অর্থ কখনোই আমাদের বাস্তবিক জীবনে প্রয়োগ-যোগ্য নয়।

কিন্তু আপনি যদি আরেকটু ভালোভাবে ভাবার চেষ্টা করেন তাহলে নিশ্চয়ই এ বিষয়টি নজরে আসবে যে— ” আমাদের মন সর্বদা মনে মনে আলাদা কতিপয় ভাবা করে”। উদাহরণসরূপ ধরুন– আমাদের মন বা মগজ স্বাভাবিকভাবে এটা মনে করে যে–  এক কোটি টাকা  করার জন্য প্রচুর সময় লাগবে, অনেক যন্ত্রণা হবে তবুও এই ব্রেন এক টাকা রোজগার করায় এতকিছু মনেই করে না। এজন্য যদি আমরা এটা মনে করার জন্য পারি যে, এক কোটি টাকা আয় করা কোন ব্যাপারই না তাহলে অবশ্যই সেটি আমাদের কাছে নির্ভুল এক অর্থের মতোই  হয়ে যাবে। সঠিক এমনই করে আমরা প্রকৃতির কাছে যদি কোন কয়েকটি মন হতে চাই এবং এটি মনে মনে ভাবা করি যে আমার দ্বারা এই কাজটি করা সম্ভব হবে তার মানে অবশ্যই হবে।

মূলত আলোচনার এ পর্যায়ে ল বন্ধ অ্যাট্রাকশন বিষয়টি নিয়ে আসার  একটাই কারণ, সেটা হচ্ছে— আমাদের মাঝে বেশিরভাগ চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে একমাত্র এটি ভাবনা করেন যে— পরীক্ষা দেওয়ার জন্য থাকি, অকস্মাৎ করে ভাগ্যে থাকলে টিকেও যেতে পারি।  মূলত অধিক সংখ্যক  এটি চিন্তাই করে না যে— সে এই যে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এসেছে। সে অবশ্যই এই পরীক্ষায় নির্বাচিত হবে এবং জবে জয়েন করবে।

আরো পড়ুন ঃ

আর এর পাশাপাশি আমাদের মাথায় বাজে একটা স্মরণ তো নিশ্চয়ই রয়েছে। সেটি হচ্ছে এখনকার দিনে টাকা, ঘুষ, দালালি ছাড়া কোন চাকরিই নেই। এজন্য বলবো আপনি যদি চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করার জন্য চান এবং চাকরির পরীক্ষায় সিলেক্টেড থেকে চান তাহলে প্রথমত নিজের মনোবল ধরে রাখার চেষ্টা করুন এবং নিজের মনের অভ্যন্তরীণ ভ্রান্ত অনুমান ঝেড়ে ফেলুন। পাশাপাশি আরো যে কৌশলগুলো আপনি অবলম্বন করবেন তা আমরা পরবর্তী ধাপে আপনাদেরকে স্টেপ বাই পদক্ষেপ জানাবো। তাহলে চলুন এ পর্যায়ে চাকরি পরীক্ষায় ভালো করার জন্য হলে কোন কোন পয়েন্ট গুলো নিশ্চয়ই মাথায় রাখবেন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

চাকরির পরীক্ষায় চমৎকার করতে হলে করণীয়

চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করতে চাইলে আপনাকে যে কয়েকটি সোজা কাজ করার জন্য হবে সেগুলো হলো:

  1. পড়ার জন্য না পড়ে জানার জন্য পড়তে হবে।
  2.  সবসময় মাথা ঠাণ্ডা রাখার জন্য হবে
  3.  গুলিয়ে ফেলার হ্যাবিট পরিত্যাগ করার জন্য হবে
  4.  অতিরিক্ত চাপ বা স্ট্রেস হতে মুক্ত থেকে হবে
  5.  ধৈর্যশীল থেকে হবে
  6. পরীক্ষা কে ভয় বা আতঙ্কের মনে না করে বরং উপভোগ করার ট্রাই করতে হবে 
  7. সর্বদা সজাগ থাকতে হবে
  8.  নেগেটিভ সকল প্রকারভেদ স্মরণ বাদ দিয়ে ইতিবাচক চিন্তাভাবনায় মনোনিবেশ করার জন্য হবে
  9.  বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে
  10.  অনলাইনে কোন জটিল বিষয়গুলো সম্মন্ধে আরো ভালোভাবে জানার জন্য বিশ্লেষণ করতে হবে
  11.  ডেইলি মক টেস্ট করার জন্য হবে
  12.  প্রতি সপ্তাহে পড়া রিভিশন দেওয়ার জন্য হবে
  13.  একদিন নয় বরং প্রত্যেকদিন একটু একটু করে পড়তে হবে প্র্যাকটিস করতে হবে
  14.  আমি পরীক্ষায় ভালো না করব সেল করতে পারি এইরকম ধরনের চিন্তায় বাদ দিতে হবে
  15.  সব সময় খোস মেজাজে থাকতে হবে
  16.  যেকোন বিষয়কে উপহাস হিসেবে না নিয়ে সিরিয়াসলি নেওয়ার ভাবা আনতে হবে মনে তার সাথে 
  17.  নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে।

আশা করা যায় আপনি যদি জবের পরীক্ষা দেওয়ার পূর্বে এই বিষয়গুলো নিজের ভিতরে অধীন করতে পারেন তাহলে অবশ্যই জবের পরীক্ষায় বেশ ভালো রেজাল্ট করার জন্য পারবেন। 

কিভাবে পড়লে চাকরির পরীক্ষায় সুন্দর করা যায়?

চাকরির পরীক্ষায় অন্য কারো বানানো নিয়মে নয় বরং আপনার তৈরি করা রুটিন অনুযায়ী নিজের তৈরি করা নিয়ম অনুযায়ী পড়াশোনা করবেন। ইনশাল্লাহ আশা করা যায় আপনি তাহলে ভাল ফলাফল অর্জন করতে পারবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা জবের পরীক্ষা কে অন্যভাবে নেওয়ার কোনই প্রয়োজন নেই। 

একটা বিষয় যদি টার্গেট করেন তাহলে অনেকেরই নজরে আসবে— প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষার এক্সপেরিয়েন্স থাকা সত্ত্বেও তার সাথে প্রাতিষ্ঠানিক লেভেলে সুন্দর ফলাফল করা সত্ত্বেও কিছু মানুষ জবের পরীক্ষায় অত্যন্ত খারাপ মার্ক পেয়ে থাকেন। আর এর অন্যতম কারণ জবের পরীক্ষা কে একেবারেই ভিন্ন রকম ভাবে মাথায় গেঁথে নেওয়া। আর এজন্যই জানা বিষয়ক তখন আমাদের কাছে অপরিচিত মনে হয় তার সাথে আমরা প্রচুর সহজ জিনিস দোষ করে বসি। 

তাই হেতু কথা ভয় না পেয়ে চাকরির পরীক্ষা কে  ভাবে গ্রহণ করতে হবে এবং নিজেকে যতটুকু সম্ভব যোগ্য করে তুলতে হবে। সরকারি বেসরকারি জবের জন্য মূলত সুনির্দিষ্ট একটি সিলেবাস থাকে। আপনি যদি সেই সিলেবাস অনুযায়ী নানারকম বই পড়তে থাকেন এবং সেগুলো সম্মন্ধে সম্পূর্ণ অনুমান অর্জন করেন তাহলে জবের পরীক্ষা আপনার নিকট অতিশয়  মনে হবে। এইজন্য সিলেবাস অনুযায়ী আপনি সেই বইগুলো শুধুমাত্র কভার করবেন। এর জন্য আপনাকে যেভাবে পড়তে হবে:-

প্রতিদিন পড়ার সঙ্গে লেগে থাকতে হবে

প্রতিদিন প্র্যাকটিস করতে হবে

প্রত্যেকটা সপ্তাহে পাঠাভ্যাস রিভিশন করার জন্য হবে

প্রতিদিন নানারকম জায়গায় মক টেস্ট দেওয়ার জন্য হবে

অনলাইনে পড়াশোনা করতে হবে এবং ১টি বিষয়কে বিভিন্নভাবে জানার ও বোঝার ট্রাই করার জন্য হবে।

যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় সিলেক্টেড হওয়ার উপায়

সরকারি বেসরকারি যেকোনো জবে যদি আপনি জয়েন করার জন্য চান তার সাথে পরীক্ষায় ভালো চিহ্নিত পেয়ে উত্তীর্ণ হতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম ঠিক প্রিপারেশন নিতে হবে। একসাথে যে সাতটি কথা মাথায় রাখবেন সেগুলো হলো:

পরীক্ষার গুরুত্বকে মনেপ্রাণে মানা

কনসেপ্ট সর্বদা ক্লিয়ার রাখা

নিজের ভিতরে লেখার হ্যাবিট সৃষ্টি করা

সঠিক রুটিন প্রস্তুত করে নেওয়া

নিজের এনার্জি সময় নির্বাচন করা

একটি নয় বরং সকল বিষয়কে সমান গুরুত্ব দেওয়া

শিক্ষক শিক্ষার্থীরা মিলে ১টি স্টাডি গ্রুপ খুলে বারবার সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। 

কেননা কখনো কখনো ছোটদের নিকট থেকেও আমরা এমন পর্যাপ্ত কিছুই শিখে ফেলতে পারি যেটা আমাদের জীবনে খুবই প্রয়োজন। এইজন্য পড়াশোনা বিষয়ে কোনো প্রবলেম হলে সেটা ক্লিয়ার করতে বা কনসেপ্ট এর সকল বিষয়ে পরিষ্কারভাবে বোঝার সুবিধার্থে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে ফেলতে পারেন। যেখানে আপনার প্রবলেম বা আপনার প্রশ্ন আপনি শেয়ার করবেন অন্যরাও তাদের প্রশ্ন ও সমস্যাগুলো শেয়ার করবে তার সাথে সবশেষে আলোচনার মাধ্যমে নির্ভুল সমাধান সবাই জানতে পারবেন। এতে করে মূলত পড়ার বিশেষ প্রবৃত্তি তৈরি হয় সেই সঙ্গে সেই ঠিক উত্তরগুলো মাথায় অত্যন্ত ভালোভাবে গেঁথে যায়। আর তাছাড়াও অধুনা লোক মোবাইলে প্রচুর বেশি আসক্ত এইজন্য মোবাইলে কারণ ছাড়া বাজে সময় অতিবাহিত না করে আপনি এই কাজের কাজগুলো করে ফেলতে পারেন যেটা আপনার জব জীবনে কাজে আসবে।

চাকরির পরীক্ষায় সর্বোত্তম সুন্দর করার টিপস ও ট্রিকস

চাকরির পরীক্ষায় সর্বোত্তম চিহ্নিত পেতে চাইলে আরো যে বিষয়গুলো আপনার নজরে রাখা জরুরী সেগুলো হলো:

পর্যাপ্ত ঘুম

স্বাস্থ্যের যত্ন

এবং সুন্দর উপস্থাপনা।

পর্যাপ্ত ঘুম

পরীক্ষা শব্দটির অর্থ অনেকটাই প্রেসার দায়ক। আর আমাদের জীবনে আশা পরীক্ষাগুলো সত্যিই কঠিন। সেটা সেটি লিখিত পরীক্ষা হোক বা মৌখিক পক্ষান্তরে শারীরিক। আমরা ব্যক্তি আর মানুষের অবিরাম জীবনটাই মূলত একটি পরীক্ষা। তবে পরীক্ষা দৃঢ় হোক বা জটিল এই বিষয়টাকে স্বাভাবিকভাবে ধারণ করতে হবে মস্তিষ্কে। অন্যথায় অনেক প্রচুর পড়ার পরেও আপনি নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল অর্জন করার জন্য পারবেন না। 

আমাদের মাঝে আমরা এরূপ কেউ কেউ রয়েছি যারা পরীক্ষার কথা মাথায় আসলেই নাওয়া খাওয়া ভুলে গিয়ে সারাদিন সারারাত কেবল লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত থাকি। অথচ এমনটা করে মূলত পড়ার কোন উন্নয়ন ঘটে না বা পরীক্ষাতে ভালো মার্কও পাওয়া পসিবল হয় না। বরং এতে করে আমাদের দেহ ভেঙে পড়ে এবং আমরা অসুস্থ হয়ে পরি। আর এটা তো সকলেই জানি একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। আর এর ব্যতিক্রম ঘটলে মানুষের ব্রেনে বাজে রকম প্রেসার পরে তার সাথে স্মৃতিশক্তি ক্যাপাসিটি ক্ষতি পায়। 

তাই স্বাভাবিকভাবেই যদি আপনি চাকরির পড়াগুলো মনে রাখতে চান তাহলে প্রচুর ঘুমের প্রয়োজন নিশ্চয়ই রয়েছে। আর দেহ সুস্থ থাকে তাহলে আপনি যদি সুন্দর থাকেন তবেই পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হবে এটাই আশা করাটা বুদ্ধিমানের কাজ। এজন্য সবসময় ট্রাই করুন প্রচুর সংখ্যা ঘুমানোর তার সাথে দেহ মন দুটোকেই বেশ ভালো রাখার। 

স্বাস্থ্যের যত্ন

পরীক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণে আমরা ঘুমের মতো সেইমভাবে স্বাস্থ্যের প্রতি অযত্নশীল হয়ে পরি। নির্ভুল সময় খাওয়া-দাওয়া না করার কারণে আমাদের দেহ অনেকটাই ভালো না হয়ে যায়। আর তাই আপনাকে নিশ্চয়ই রোজ স্বাস্থ্যকর খাদ্য খেতে হবে এবং দেহের যথাযথ যত্ন নিতে হবে। এ সময়টা জ্যাকফুড এড়িয়ে চলার ট্রাই করবেন। 

আর হ্যাঁ শুধু এক্সামের কারণে নয় মূলত জীবনটাই এনজয় করার জন্য চাইলে নিশ্চয়ই আপনাকে স্বাস্থ্যের আদর নিতে হবে। কেননা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী লোক হলো প্রকৃত সুখী। এজন্য সবসময় স্বাস্থ্যের যত্ন নেবেন এবং নিজের রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন একসাথে চেষ্টা করবেন রিলাক্স মোডে পরীক্ষার হলে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার। 

সুন্দর উপস্থাপনা

সুন্দর উপস্থাপনার সাহায্যে আপনি যে কোন প্রশ্ন অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। আর আমরা প্রতিজনে জানি লোক সব সময় অনেক ভালো কিছুকেই পছন্দ করে এবং সৌন্দর্যকেই ভালোবাসে। এইজন্য পরীক্ষায় ভালো চিহ্নিত পেতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে উপস্থাপনাটা পরিষ্কারভাবে শিখতে হবে তার সাথে অন্যজনের থেকে পর্যাপ্ত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা জানতে হবে। আর এতে করে আপনার কি উপকারিতা হবে সেটি তো বুঝতেই পারছেন।

তাই লিখিত পরীক্ষার একসাথে মৌখিক এক্সামের সময় যাতে আপনার অঙ্গভঙ্গি নির্ভুল থাকে আপনি সাবলীল ভাষায় সুষ্ঠু ও স্পষ্ট ভাবে কথা বলতে পারেন তার প্র্যাকটিস করবেন। এক কথায় জবের পরীক্ষায় চমৎকার করার উপায় হচ্ছে চর্চা চর্চা চর্চা। আপনি যত অধিক চর্চা করবেন তত অধিক শিখবেন, তত বহু জানবেন তার সাথে তত ভাল ফলাফল করবেন। 

পরিশেষে: তো ফ্রেন্ডস, চাকরির পরীক্ষায় অনেক ভালো করার উপায় রিলেটেড আমাদের আলোচনা পর্বটি আজ এখানেই সম্পন্ন করছি। আশা করি আমাদের এই টিপসগুলো আপনাদের একটু হলেও কাজে আসবে। তো সকলেই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সৃষ্টিকর্তা হাফেজ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.