Header Ads

Header ADS

ফেসবুক হতে কীভাবে টাকা উপার্জন করার উপায় শিখে নাও

 ফেসবুক হতে কীভাবে টাকা উপার্জন করার জন্য হয় শিখে নাও ধাপে ধাপে


পুরোটা পড়ার সময় নেই? ব্লগটি একবার শুনে নাও।
“টাকা আয় করার সবচেয়ে সোজা পদ্ধতি কি?”
“ঘরে বসে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?”

পেজ সূচিপত্র ঃ

  • ফেসবুক থেকে আয়
  • অ্যাডভারটাইজিং

  • ফ্রিল্যান্সিং

  • অনলাইন মার্কেটিং

  • ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং (Influencer Marketing)

  • ক্রয়-বিক্রয়

“ইশ এরূপ কোনো মাধ্যম থাকতো, যেন ভীষণ দ্রুতই হাতে কতিপয় টাকা চলে আসতো”

এমন প্রশ্ন হরহামেশাই শোনা যায়। এমনকি আমাদের নিজেদের মনেও উঁকি দেয় এইরকম হাজারো প্রশ্ন। ছাত্রজীবনে টিউশুনির গণ্ডির বাইরে তাকালেই দেখা যায় এই হাহাকার। তবুও এতসব প্রশ্নের তবুও প্রচুর সরল একটা জবাব রয়েছে। উত্তরটা হলো ফেসবুক থেকে আয়!

দিনের অন্তত একবার হলেও আমরা ফেবুতে ঢু মারি, অন্যের পিকচারে লাইক-কমেন্ট করি, নিজের টাইমলাইনে নানারকম পোস্ট শেয়ার করি, ফ্রেন্ডদের সঙ্গে ম্যাসেঞ্জারে তুমুল আড্ডা দিই। এসবের পাশাপাশি ২.৩২ বিলিয়ন ইউজার পুষ্ট ফেবুতে কিন্তু ইচ্ছা করলেই গড়ে তোলা যায় ছোটখাটো একটা অনলাইন স্টার্টআপ। বিভিন্ন ফ্যানপেজ প্রস্তুত করা, ভিডিও বানানো, ফেবু খেলা-ধুলা ডেভেলপ করা, অনলাইন শপের মত হাজারো প্রক্রিয়ার দ্বারাই ফেবু হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের উৎস।

ফেসবুক পেজ হতে আয়

ফেসবুকে আঁখি বুলালেই হাজারো পেজের ভীরে আমাদের আঁখি ধাঁধায়। মানসম্মত কন্টেন্টসহ একটি ফেবু পেজ তবুও সহজেই কমবেশি অনেকের বার্তা ফিডেই প্রাধান্য পাবে।

ফেসবুক থেকে আয়

ফেসবুক পেজ হতে টাকা আয় করার নিয়ম এ ১ম স্তর হচ্ছে ফেসবুকে ১টি পেজ খুলে নেওয়া। এক্ষেত্রে আপনার নিজের আগ্রহের একসাথে অন্যদের আগ্রহকেও প্রাধান্য দেয়া উচিত। ফেবু পেজ হতে পারে যেকোনো ধরনের। যেমন- ফুড রিভিউ, ট্রাভেল পেজ, সংবাদ পোর্টাল অথবা ট্রেন্ডি কোনো ট্রল পেজ। ট্রল পেজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে, যেন এটা কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে ক্ষত না করে বা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে। তাহলে অথচ আপনার এফবি হতে আয় এর উদ্দেশ্যের হিতে বিপরীত হতে পারে!  

ফেসবুক পেজ, গ্রুপ এবং ফেবুতে বুস্টিং সম্পর্কে ডিটেইলস শিখে আপনার ফেবু ব্যবসাকে পৌঁছে দিন লক্ষ্য কাস্টমারের কাছে। আজই এনরোল করে শিখুন এফবি মার্কেটিং-এর খুঁটিনাটি।

 একটি ফেবুর পেজ মূল অংশ হলো কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু। এফবি ইউজারদের এই বিশাল অঙ্কের নিকট আপনার পেজের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে কন্টেন্টের উপর। মানসম্মত ও সুন্দরভাবে বলা হয়েছে যেকোনো কন্টেন্ট ভালো ইউজারদের মাঝে সাড়া জাগাতে অনেকটাই সহায়ক। কন্টেন্ট সৃষ্টি থেকে আরম্ভ করে পরবর্তীতে বেশ কিছু স্টেপ অবলম্বন করতে হবে । যেমন-

আপনার ফ্যান পেজের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট সৃষ্টি করুন। ফেসবুকে পেজের একসাথে একটি ওয়েবসাইট থাকা কিন্তু বেশ কাজের। আপনার কন্টেন্টের বিশদ বর্ণনা থাকবে এসব ওয়েবসাইটে। ওয়েবসাইট তৈরির জন্য আপনি ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস পক্ষান্তরে উইবলির সাহায্য নিতে পারেন। ফ্রি ডোমেইনের কিছু সীমাবদ্ধতা হতে বেরিয়ে আসতে আপনি অল্প কতিপয় টাকা  করে বানিয়ে নিতে পারেন আপনার নিজেরই ১টি ওয়েবসাইট।

 “অ্যাডসেন্স (AdSense)” নামক গুগলের ১টি প্রোগ্রাম রয়েছে, যা ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করার জন্য উত্তর বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত। অ্যাডসেন্সের কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইটে নানারকম কোম্পানির বিজ্ঞাপনের যোগাড় করা এবং বিনিময়ে ওয়েবসাইটের পরিচালনাকারীদের একটি নির্দিষ্ট অর্থ দেয়া। প্রায়সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হাজারো অ্যাড আমাদের নজরে আসে তার সাথে এগুলোই আপনার ফেবু পেজের ওয়েবসাইটে প্রয়োগ করতে পারবেন গুগল অ্যাডসেন্স জয়েন করার মাধ্যমে। এর ফলে আপনি আপনার ফেবু পেজ থেকে টাকা আয় করা চালু করার জন্য পারবেন।

ফেসবুকে পেজে রোজ নিত্যনতুন কন্টেন্ট হালনাগাদ করা প্রচুর জরুরী। বহু বেশি কন্টেন্ট আপলোড করলে আপনার পেজ প্রতিনিয়তই নতুন নিউ মানুষের চোখে পড়বে, লাইক-কমেন্ট-শেয়ারের পরিমাণও বাড়তে থাকবে দ্রুতই।

ফেসবুক থেকে আয় এর ক্ষেত্রে টার্গেট রাখার জন্য হবে, আপনার শেয়ার করা কন্টেন্ট যেন অন্য কোনো আর্টিকেলের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হয়। কেননা প্রচুর এফবি পেজের ব্যক্তিগত কপিরাইট থাকে। পর্যাপ্ত প্রচুর ক্ষেত্রে রিপোর্ট করার মাধ্যমেও আর্টিকেল চুরির বিষয়টা চোখের সম্মুখে চলে আসে। কন্টেন্ট হুবুহু প্রুফড হলে ফেসবুক কতৃপক্ষ সেসব পোস্ট তাৎক্ষনাত সরিয়ে দেয়।

ফেসবুকে আপনার পেজ সৃষ্টি করা শেষ, সম্পন্ন কন্টেন্ট বানানোর কাজও।  এগোতে হবে কন্টেন্ট বা পোস্টগুলো বিক্রি করার দিকে। শপসামথিং (shopsomething.com) নামক অনলাইন একটি ওয়েবসাইট বিদ্যমান যেখানে আপনি আপনার ফেবু পোস্ট বিক্রি করার জন্য পারেন। এইখানে নিজের একাউন্ট খুলে আপনার ভক্ত পেজের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট দর ধার্য করে দিতে হবে।

আপনাকে নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে এসব পোস্ট কেনা করা হবে তার সাথে পরবর্তীতে বিভিন্ন অ্যাডভারটাইজের জন্য এসব পোস্ট, পোস্টের পিকচার প্রয়োগ করা হবে। প্রাইস নির্ধারণের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখার জন্য হবে, শুরুতেই একান্ত চড়া মূল্যের পোস্টে তবুও কেউই আগ্রহ দেখাবে না। এইজন্য মাত্রাতিরিক্ত প্রাইস মনস্কাম হতে বিরত থাকাই শ্রেয়।

অ্যাডভারটাইজিং

অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং এর নাম অধিকাংশই না শুনে থাকতে পারেন। অনেকসময় ফেসবুক স্ক্রল করে গেলে নিউজফিডে বিভিন্ন অ্যাড আসে, যার পাদদেশে ছোট্ট করে “স্পনসরড” লিখনি থাকে। এটিই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং।

অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়ে এর জন্য সাইন আপ করলে আপনাকে দেয়া হবে অনন্য ১টি আইডি, সঙ্গে থাকবে আপনার অ্যাডভারটাইজিং রিলেটেড বিভিন্ন বিজনেস ম্যাটেরিয়াল দেয়া হবে। এসব নানারকম ব্যবহারকারীদের দ্বারা জেনারেটের সাহায্যে আপনার অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হতে থাকবে।

অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভারটাইজিং প্রোগ্রামের জন্য আলাদা ১টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি অ্যাডসের জন্য আলাদা আলাদা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট উন্মুক্ত করা উচিত। এর ফলে ব্যবহারকারীরা নিজেদের লাইক মত বিজ্ঞাপন খুঁজে নিতে পারবে আর আপনার আয় করার অবিরাম কাজটাই ফাস্ট সম্পন্ন হবে।

আপনার অ্যাডভারটাইজমেন্ট যতবার ব্যক্তি দেখবে, ততবারই আপনার আয় বাড়তে থাকবে। সুতরাং বিজ্ঞাপনের প্রোমোশনের বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য হবে যেন আপনার পোস্টে ক্লিক করে অ্যাফিলিয়েট থেকে কিছু কেনামাত্র আপনি আয় করা চালু করার জন্য পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং

আমরা যারা অনলাইনে আয় করার পদ্ধতি সম্মন্ধে খোঁজ-খবর রাখছি, তাদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং সবচেয়ে অবগত একটা নাম। ফেসবুকের মাধ্যেমেও তবুও ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব। ফ্রিল্যান্সিং চালু করলে সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ লাগানো থাকে কাজ পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে। লক্ষ্য যায়, প্রচুর ফ্রিল্যান্সাররা নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। ফেসবুকে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কয়েকটি সক্রিয় গ্রুপ আছে। এসব গ্রুপের মেম্বাররা বিভিন্ন কাজের অপরচুনিটি শেয়ার করে। এর ফলে অধিকাংশই খুঁজে পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। কন্টেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, অনলাইন প্রচার এর মত নানা ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ফেবুতে রয়েছে হাজারো গ্রুপ ও পেজ।

অনলাইন প্রতিযোগিতা

দেশের বড় জ্যেষ্ঠ কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রোমোশনের জন্য বিভিন্ন সময়ে আয়োজন করে এফবি কেন্দ্রিক বিভিন্ন অনলাইন প্রতিযোগিতা। এসব প্রতিযোগিতার নিমিত্ত লক্ষ্য থাকে গ্রাহকদের নিকট তাদের পণ্যের প্রচার। নিউ কোনো ক্যাম্পেইন, পণ্য, মার্কেট প্ল্যানিং এর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুককেই বেছে নেয় এসব কোম্পানি। আর এসব প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার হিসেবে থাকে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ, পুরষ্কার, কোনো সময়েই থাকে ইন্টার্নশিপ-চাকরির সুযোগ।

এসব প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে আপনার কাজ হবে বেশি বহু লাইক, শেয়ার এবং বন্ধুদেরকে ট্যাগ দেয়া।

অনলাইন মার্কেটিং

অনলাইন মার্কেটিং হালের টাকা আয় করার জনপ্রিয় একটি উপায়। এখনকার দিনে ফেসবুক কেন্দ্র করে গড়ে উঠে গিয়েছে হাজারো মার্কেটপ্লেস। এসব কিন্তু সাধারণ দশটা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মত নয়। ফেবুতে ইদানীং কালে ড্রেস, জুয়েলারি, মেকআপ সামগ্রী, হ্যান্ডিক্রাফট, বই ইত্যাদির জন্য হাজারো অনলাইন শপ গড়ে উঠেছে।

ফেসবুকে এসব অনলাইন প্রচার পেজ বা গ্রুপে নানারকম পণ্যের ছবি, বিবরণ, সাইজ ও দাম দেয়া থাকে। মেসেজ দিয়ে বা কমেন্টে গ্রাহকেরা তাদের পছন্দমত পণ্য অর্ডার করে। কয়েকটি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অর্ডার করার সময়ই ক্রেডিট কার্ড, প্রচার এর মত অন্যান্য পদ্ধতিতে টাকা পরিশোধ করে দেওয়ার জন্য হয়, আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ক্রেতাদের ফরমায়েশ অনুযায়ী যথাসময়ে ডেলিভারির সময়ে টাকা পরিশোধের অ্যারেঞ্জমেন্ট থাকে। এভাবে আস্তে সন্তপর্ণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি পরিচিতি পায় তার সাথে টাকা আয় করার রাস্তাটাও সরু হতে চওড়া থেকে চালু করে।

অনলাইন জিনিসপাতি বিক্রির জন্য “ফেসবুক শপ” নামের অসাধারণ একটা অ্যাপ ও রয়েছে। আপনার অনলাইন প্রচার এর ছোটখাটো কোনো ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য পারেন। এই অ্যাপের ২টি ভার্সনের ভিতরে ফ্রি ভার্সনটি লিমিটেড, অন্যদিকে পেইড ভার্সনে রয়েছে এইরকম অনেক সুবিধা যা ফ্রি ভার্সনে অনুপস্থিত।

ফেসবুক অ্যাপ

ওয়েব ডিজাইনার, খেলা-ধুলা ডেভলপার ও প্রোগ্রামারদের জন্য এফবিতে রয়েছে অপরিসীম এক সম্ভাবনা। ফেসবুক অ্যাপ তৈরির সাহায্যে ফেসবুক হতে  সম্ভব। ব্যক্তিগত অ্যাপ তৈরির মাধ্যমেও এফবি থেকে আয় করা সম্ভব। ফেবুর জন্য বিভিন্ন অ্যাপ প্রস্তুত করলে সেটার ইউজারদের অঙ্কের ওপর আপনার আয় নির্ভরশীল।

ফেসবুকে গেম শুরু হওয়ার চালু দিকে একটি খেলা-ধুলা ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো, নাম ফার্মভিল। ফার্মভিল গেমটির ডেভেলপার ছিল জিংগা (Zynga) নামক ১টি কোম্পানি। জেনে রাখা ভালো, জিংগা, রোভিও পপক্যাপ এর মত গেমিং কোম্পানিগুলোর সাহায্যে ফেবুর প্ল্যাটফর্মে আপনার ডেভলপ করা গেমগুলো আপলোড করার জন্য পারেন।  

অ্যাকাউন্ট সেল করা:

অনেকদিন ধরে চালানো কোনো এফবি অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ সেল করার সাহায্যে ভালোই ফেসবুক থেকে  করা সম্ভব। একটা সময় অনেকে একের বেশি আইডি খুলে রাখতো। তবুও বাস্তবতা বলে, একের অধিক অ্যাকাউন্ট চালানো অনেকটাই কষ্টসাধ্য। কিন্তু এখানে প্লাসপয়েন্ট হলো, পুরাতন অ্যাকাউন্ট, পেজের তবুও ইদানিং প্রচুর দাম। কেননা অনেকদিন আগে থেকেই এসব পেজ-গ্রুপের সাথে ইউজাররা পরিচিত হয়ে আছে। পাশাপাশি, অনলাইন বাজারে এসব পুরাতন অ্যাকাউন্ট-পেজ-গ্রুপের পর্যাপ্ত চাহিদা। একারণে বেশি সংখ্যক ফলোয়ার, অধিক সংখ্যক লাইক ও বহু গ্রুপ মেম্বার পুষ্ট যেকোনো কতিপয় আপনি অন্যদের নিকট বিক্রি করার জন্য পারেন।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং (Influencer Marketing)

ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টা অনেকটা আধুনিক ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এর মত। নামকরা কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসা প্রচারণার জন্য স্বনামধন্য ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদেরকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত করে।

ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার হতে হলে প্রথমেই আপনাকে প্রোফাইলে মানসম্মত কিছু কন্টেন্ট ও প্রচুর সংখ্যক ফ্যান-ফলোয়ার থাকতে হবে। এবং অবশ্যই আপনার এফবি এক্টিভিটিতে সার্বিকভাবে ফলোয়ারদের সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া থাকা উচিত। এরপর Hireinfluence, BlogMint, Fromote এর মত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেট এজেন্সির ওয়েবসাইটে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদানের সাহায্যে আপনার আইডি খুলতে হবে। আইডি খোলার পরপরই আপনি কোনো এক ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য সুনির্দিষ্ট দর সিলেক্ট করবেন তার সাথে পরবর্তীতে ঐসব ব্র্যান্ডের পোস্ট প্রচার করার মাধ্যমে আপনি ফেসবুক হতে আয় করার জন্য পারবেন।

ফেসবুকে বুস্টিং তার সাথে পেইড এফবি প্রচার -এর আদ্যোপান্তআরো পড়ুন: ফেবুতে বুস্টিং এবং পেইড এফবি প্রচার -এর আদ্যোপান্ত

ক্রয়-বিক্রয়

বাসায় অব্যবহৃত ১টি ফোন পড়ে আছে? সময়ের দারিদ্রে আপনার প্লেস্টেশনটি চালানো হচ্ছেনা? পুরাতন ডিজিটাল ক্যামেরাটা বিক্রি করে নিউ ১টি ডিএসএলআর কিনতে ইচ্ছুক? এ জাতীয় হাজারো খুঁটিনাটি জিনিস তবুও আমরা ইচ্ছা করলেই ফেসবুকের সাহায্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য পারি। ফেসবুকে কেনাবেচার (Buy and Sell) এর অসংখ্য গ্রুপ রয়েছে। কোনো কোনো গ্রুপ সুনির্দিষ্ট পণ্য কেনাবেচার জন্য, আবার কোনোটিতে পণ্য বিক্রি সম্মন্ধে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। এসব গ্রুপে আপনার অব্যবহৃত যেকোনো পণ্যের জন্য সহজেই ঠিক ক্রেতা খুঁজে পেতে পারেন তার সাথে সহজেই ফেসবুক হতে আয় করার জন্য পারেন। কিন্তু অনলাইনে এসব ক্রয় বিক্রয়ের সময় সতর্ক থাকতে হয়, যেকোনো লেনদেনের পূর্বে বায়ার রিলেটেড সকল প্রকারের ইনফরমেশন নিশ্চিত করার জন্য হবে, একইপাশে নিশ্চিত করতে হবে টাকা আদান-প্রদানের সুরক্ষিত মাধ্যমও।

পৃথিবীজুড়ে সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতাই ফেসবুককে গড়ে তুলেছে আয় করার সরল ও ফাস্ট একটি মাধ্যম হিসেবে। সামান্য মেধা, সাথে ঘড়ির একটু সময় দিলেই এফবি হয়ে উঠতে পারে আপনার আয় করার সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম। একমাত্র চ্যাটিং আর লাইক-কমেন্টের বেড়াজালে আটকে না থাকে আপনি কক্ষে বসেই শুরু করতে দেওয়ার জন্য পারেন আপনার ফেসবুক থেকে ইনকাম করার নিউ পরিকল্পনা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.